মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রধান কার্যাবলি

 

ভূমি উন্নয়ন কর আদায় :

প্রতি বাংলা বছরের শুরুতে ভূমি উন্নয়ন করের দাবী নির্ধারন চৈত্র মাস পর্যন্তু দাখিল মারফত আদায় করা হয়।

  • সরকারী খাস ভূমির হেফাজতকরণ :

সরকারী খাস অর্পিত,পরিত্যক্ত,এবং অন্যান্য সরকারী সম্পত্তি সংরক্ষন এবং তত্বাবধান করা হয়।

  • ভূমিহীনদের কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত।

প্রকৃত  ভূমিহীনদের নিকট থেকে আবেদন গ্রহণ  এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহোদয়ের নির্দেশ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা  হয়। খাস জামির আবেদন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে বিনা মূল্যে পাওয়া যায়। ১৬০ দিনের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

  • সার্টিফিকেট মামলা :

৩বছরের অধিক খাজনার টাকা বকেয়া আদায় না হলে তাহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়

  • অফিসে হালনাগাদ ভূমি রেকর্ড সংরক্ষন করা :

রেকর্ড হাল নাগাদ করে সংরক্ষন করা হয় এবং ৪৫ দিনের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়। কোন অর্থের প্রয়োজন হয়

এছাড়া

নামজারীর প্রস্তাব দেয়া, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে হাট বাজার হতে খাস আদায় করা এবং সরকারি জলমহাল গুলি রক্ষনাবেক্ষনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

  1. বি: দ্র: এখানে খতিয়ান /পর্চা সরবরাহ করা হয়না।  জেলা রেকর্ড রুম  থেকে সরবরাহ করা হয়।

 

আপনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে  হাজির হয়ে ভুমি উন্নয়ন কর প্রদান করতে পারেন ।  ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য প্রজার বাড়িতেযান ।

 ২। খারিজ আবেদনঃ

আপনিনির্ধারিত ফরমে ৫(পাঁচ) টাকার কোট ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ে খারিজ আবেদন করতে  পারবেন।

 ৩।খাস জমি বন্দোবস্তঃ

স্ব -স্ব ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বিজ্ঞপ্তি জারীর পর খাস জমির বন্দোবস্তেরজন্য নির্ধারিত ফরমে সুবিধাভোগীগণ/ভূমিহীন ব্যক্তি সহকারী কমিশনার (ভূমি)এর কার্যালয়ে আবেদন করতে পারেন ।

 

১। ভূমি উন্নয়ন কর আদায়।

২। সরকারী খাস ভূমির হেফাজতকরন।

৩। ভূমিহীনদের কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত।

৪। নামজারীর প্রস্তাব দেয়া।

৫। অফিসে হালনাগাদ ভূমি রেকর্ড সংরক্ষন করা।

৬। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে হাট বাজার হতে খাস আদায় করা।

৭। সরকারি জলমহাল গুলি রক্ষনাবেক্ষন করা।


Share with :

Facebook Twitter